শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, সকাল ৬:০৩
শিরোনাম :
বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন বরিশালের নবাগত ডিআইজি র‍্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মানুষের হৃদয়ে অনাদিকাল বেঁচে থাকবেন আল্লামা সাঈদী: ডা. শফিকুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নতুন রণতরী, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার

ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট ।। ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে ফ্যাশন এন্টারপ্রেনারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এফইএবি)।

মঙ্গলবার (৫ মে) এফইএবির সভাপতি আজহারুল হক আজাদের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংগঠনটি বলছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উৎসব কেন্দ্র করে দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই গতি সঞ্চারিত হবে। বিশেষ করে দেশীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতের জন্য এই সময়টি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিক্রয় মৌসুম। বর্তমান জ্বালানি সাশ্রয় পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত শপিংমলের সময়সূচি বাস্তবায়িত হলেও, বাস্তবতা বিবেচনায় এই সময়সূচির পুনর্বিন্যাস এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শপিংমলগুলোর মোট বিক্রয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ হয় সন্ধ্যার পর, আর মাত্র ৪০ শতাংশ বিক্রি হয় দিনের বেলায়। তীব্র গরম ও কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকে, ফলে সন্ধ্যার পরই মূল কেনাকাটার চাপ তৈরি হয়। বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের বড় একটি অংশ ব্যবসার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বড় ধরনের বিক্রয় সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সংগঠনটি বলছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উৎসব কেন্দ্র করে দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই গতি সঞ্চারিত হবে। বিশেষ করে দেশীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতের জন্য এই সময়টি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিক্রয় মৌসুম। বর্তমান জ্বালানি সাশ্রয় পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত শপিংমলের সময়সূচি বাস্তবায়িত হলেও, বাস্তবতা বিবেচনায় এই সময়সূচির পুনর্বিন্যাস এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শপিংমলগুলোর মোট বিক্রয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ হয় সন্ধ্যার পর, আর মাত্র ৪০ শতাংশ বিক্রি হয় দিনের বেলায়। তীব্র গরম ও কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকে, ফলে সন্ধ্যার পরই মূল কেনাকাটার চাপ তৈরি হয়। বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের বড় একটি অংশ ব্যবসার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বড় ধরনের বিক্রয় সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

আসন্ন ঈদ সামনে রেখে শপিংমলের সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করে একটি বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে তারা।